সিঁড়ি কবিতার প্রশ্নোত্তর: Important ৫টি Q&A | সুকান্ত ভট্টাচার্য | ICSE Class 9 Bengali| PDF Download
সুকান্ত ভট্টাচার্যের সিঁড়ি কবিতার প্রশ্নোত্তর আমরা এবার পড়ে নেব এই আলোচনায়। ‘তারপর ফিরে ও তাকাও না পিছনের দিকে’, ‘আমরা সিঁড়ি’, ‘পদাঘাত’, ‘পদস্খলন’ এবং ‘অত্যাচারী পদধ্বনি’—এই গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলির ব্যাখ্যা, তাৎপর্য ও পরীক্ষায় লেখার উপযোগী উত্তর সহজ ভাষায় সাজানো হয়েছে।
সিঁড়ি কবিতার প্রশ্নোত্তর কেন গুরুত্বপূর্ণ?
‘সিঁড়ি’ কবিতায় একটি সাধারণ সিঁড়িকে কেন্দ্র করে কবি সমাজের উচ্চ-নীচের সম্পর্ককে প্রতীকীভাবে তুলে ধরেছেন। সিঁড়ি যেমন একজন মানুষকে নিচ থেকে উপরে উঠতে সাহায্য করে, তেমনই সমাজের শ্রমজীবী ও নিম্নশ্রেণীর মানুষের শ্রমের ওপর দাঁড়িয়ে সুবিধাভোগী শ্রেণি নিজেদের উন্নতি করে—কবিতার মূল বক্তব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক এই প্রতীকের মধ্যেই নিহিত।
তাই এই কবিতার প্রশ্নোত্তর প্রস্তুত করার সময় শুধু ঘটনাটি মনে রাখলেই হবে না। ‘আমরা’, ‘তোমরা’, ‘পদাঘাত’, ‘পদস্খলন’, ‘পদধ্বনি’—এই শব্দগুলির অন্তর্নিহিত অর্থও বুঝতে হবে।
নিচে সেই ভাবনা মাথায় রেখে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন দেওয়া হল।
সিঁড়ি কবিতার ৫টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
প্রশ্ন ১
“তারপর ফিরে ও তাকাও না পিছনের দিকে।”
ক) কে, কাদের উদ্দেশ্যে এই বক্তব্য রেখেছেন?
খ) ‘তারপর’ বলতে কবি কোন সময়কে বোঝাতে চেয়েছেন?
গ) কেন তারা পিছনের দিকে ফিরে তাকায় না?
ঘ) পিছনের দিকে কাদের অবস্থান এবং কেন?
উত্তর: ক) কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য তাঁর ‘সিঁড়ি’ কবিতায় সমাজের শীর্ষস্থানে থাকা সেইসব মানুষের উদ্দেশ্যে এই বক্তব্য রেখেছেন, যারা নিম্নশ্রেণীর মানুষের শ্রম ও সহযোগিতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের উন্নতির পথে এগিয়ে যায়। কবির বক্তব্যে তারা মূলত সমাজের সুবিধাভোগী ও শোষক শ্রেণির প্রতিনিধি।
খ) ‘তারপর’ বলতে কবি উঁচুতে উঠে যাওয়ার পরের সময়কে বোঝাতে চেয়েছেন। বাস্তবে একজন মানুষ সিঁড়ি ব্যবহার করে উপরে উঠে যাওয়ার পর নিচের দিকে আর তাকায় না। এই দৃশ্যের মধ্য দিয়েই কবি সামাজিক বাস্তবতার একটি দিক তুলে ধরেছেন। নিম্নশ্রেণীর মানুষের শ্রমের সাহায্যে উচ্চশ্রেণীর মানুষ যখন নিজের অবস্থান তৈরি করে নেয়, তখন সেই শ্রমের কথা তারা ভুলে যায়।
গ) তারা পিছনে ফিরে তাকায় না, কারণ প্রয়োজন মিটে গেলে তারা নিম্নশ্রেণীর মানুষের অবদানকে আর গুরুত্ব দিতে চায় না। নিজেদের অর্থ, ক্ষমতা ও প্রতিপত্তিকেই সাফল্যের প্রধান কারণ বলে মনে করে। ফলে যাদের শ্রম তাদের উন্নতির পথ তৈরি করেছে, তাদের দুঃখ-কষ্ট ও অবদানের কথা তারা ভুলে যায়। এই আচরণের মধ্যে উচ্চশ্রেণীর মানুষের স্বার্থপরতা ও অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ) পিছনের দিকে অবস্থান করছে সমাজের নিম্নশ্রেণীর, শ্রমজীবী ও অবহেলিত মানুষরা। তারা অন্যের উন্নতির জন্য শ্রম দেয়, কিন্তু সেই উন্নতির সুফল নিজেরা সমানভাবে পায় না। অর্থ, ক্ষমতা ও সামাজিক সুযোগের দিক থেকে তারা পিছিয়ে থাকায় তাদের অবস্থানও ক্রমশ সমাজের পিছনের সারিতে চলে যায়।
প্রশ্ন ২
“আমরা সিঁড়ি, তোমরা আমাদের মাড়িয়ে / প্রতিদিন অনেক উঁচুতে উঠে যাও।”
ক) ‘আমরা’ বলতে কবি কাদের বুঝিয়েছেন? ‘তোমরা’-ই বা কারা?
খ) কবি সিঁড়ির সঙ্গে কাদের তুলনা করেছেন?
গ) কীভাবে তাদের মাড়িয়ে ওপরে উঠে যাওয়া হচ্ছে?
ঘ) এখানে সমাজের কোন চিত্র ধরা পড়েছে?
উত্তর: ক) ‘আমরা’ বলতে কবি সমাজের নিম্নশ্রেণীর ও শ্রমজীবী মানুষদের বুঝিয়েছেন। আর ‘তোমরা’ বলতে বোঝানো হয়েছে সমাজের উচ্চবিত্ত, অভিজাত ও সুবিধাভোগী শ্রেণিকে, যারা নিম্নশ্রেণীর মানুষের শ্রমের সুবিধা নিয়ে নিজেদের অবস্থান উন্নত করে।
খ) কবি নিম্নশ্রেণীর শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে সিঁড়ির তুলনা করেছেন। সিঁড়ি নিজে উপরে ওঠে না, কিন্তু অন্যকে উপরে ওঠার সুযোগ করে দেয়। একইভাবে শ্রমজীবী মানুষের পরিশ্রম অন্যের উন্নতির ভিত তৈরি করলেও তারা নিজেরা অনেক সময় সেই উন্নতির অংশীদার হতে পারে না।
গ) নিম্নবিত্ত মানুষ তাদের শ্রম, দক্ষতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করে। উচ্চবিত্ত মানুষ সেই শ্রমের ফল ভোগ করে অর্থ, সম্মান, ক্ষমতা ও সামাজিক সুবিধা লাভ করে। অথচ শ্রমজীবী মানুষের প্রাপ্য মর্যাদা ও সুযোগ সবসময় নিশ্চিত হয় না। এই অর্থেই তাদের যেন মাড়িয়ে বা পদদলিত করে উচ্চশ্রেণীর মানুষ প্রতিদিন আরও উপরে উঠে যায়।
ঘ) এখানে সমাজের শ্রেণীবৈষম্য, শোষণ এবং শ্রমের অসম মূল্যায়নের চিত্র ধরা পড়েছে। সমাজে একই মানবসমাজের অংশ হয়েও মানুষ অর্থ, ক্ষমতা ও সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিতে নিজেদের মধ্যে উচ্চ-নীচের বিভেদ তৈরি করেছে। ফলে এক শ্রেণি অন্য শ্রেণির শ্রম ব্যবহার করে উন্নতি করলেও শ্রমজীবী মানুষ বঞ্চনা ও অবহেলার মধ্যে থেকে যায়। কবিতার প্রতিবাদী বক্তব্য এই বৈষম্যের বিরুদ্ধেই প্রশ্ন তোলে।
এই অংশটির মূল ভাব
সিঁড়ি অন্যকে উপরে তোলে, কিন্তু নিজে নিচে থাকে—এই বাস্তব ছবির মধ্যেই কবি শ্রমজীবী মানুষের অবস্থাকে দেখতে পেয়েছেন।

প্রশ্ন ৩
“তবু আমরা জানি, চিরকাল আর পৃথিবীর কাছে / চাপা থাকবে না আমাদের দেহে তোমাদের এই পদাঘাত।”
ক) কার লেখা, কোন কবিতা থেকে অংশটি গৃহীত হয়েছে?
খ) ‘পৃথিবীর কাছে’ কী চাপা থাকবে না?
গ) কার, কোন পদাঘাতের কথা এখানে বলা হয়েছে?
ঘ) আলোচ্য অংশটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: ক) আলোচ্য অংশটি কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘সিঁড়ি’ কবিতা থেকে গৃহীত।
খ) নিম্নশ্রেণীর মানুষের ওপর উচ্চশ্রেণীর মানুষের অত্যাচার, শোষণ, অবিচার ও নিপীড়নের ঘটনা চিরকাল পৃথিবীর কাছে চাপা থাকবে না। শোষিত মানুষের জীবনে যে অন্যায় জমে রয়েছে, একসময় সেই সত্য প্রকাশ্যে আসবে—কবি এই আশার কথাই বলেছেন।
গ) এখানে ‘পদাঘাত’ বলতে উচ্চশ্রেণীর মানুষের দ্বারা নিম্নশ্রেণীর মানুষের ওপর চালানো অত্যাচার ও নিপীড়নকে বোঝানো হয়েছে। সিঁড়িকে পা দিয়ে মাড়িয়ে যেমন উপরে ওঠা হয়, তেমনই সমাজের শক্তিশালী শ্রেণি দুর্বল ও শ্রমজীবী মানুষের শ্রম ব্যবহার করে নিজেদের অবস্থান উঁচু করে।
ঘ) এই অংশে কবিতার প্রতিবাদী চেতনা এবং ভবিষ্যৎ পরিবর্তনের আশা প্রকাশ পেয়েছে। নিম্নশ্রেণীর মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অত্যাচার সহ্য করলেও তাদের ওপর চালানো অন্যায় চিরকাল গোপন থাকবে না। তাদের জীবনের ক্ষত ও বঞ্চনার সত্য একসময় প্রকাশিত হবে।
এখানে কবি শুধু শোষণের কথা বলেননি; তিনি শোষিত মানুষের মধ্যে থাকা প্রতিবাদ ও অধিকারচেতনার সম্ভাবনাকেও সামনে এনেছেন। তাই এই অংশটি কবিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য।
পরীক্ষায় মনে রাখবে: এখানে ‘পদাঘাত’কে শুধু পায়ের আঘাত হিসেবে লিখবে না। এটি অত্যাচার, শোষণ ও অবিচারের প্রতীক।
ICSE Bengali Class 9 গল্পের স্টাডি মেটেরিয়াল পড়ুন
-
Canvasar Golpo: ক্যানভাসার গল্পের প্রশ্নোত্তর (5 Important Q&A)| বনফুল | PDF ডাউনলোড
ক্যানভাসার গল্পের প্রশ্নোত্তর সহজ ভাষায়। বনফুলের ‘ক্যানভাসার’ গল্পের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি-ভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর পড়ুন ICSE Class 9 Bengali পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য।
-
ক্যানভাসার গল্পের কাহিনিসংক্ষেপ ও মূলভাব | ICSE Class 9 Bengali
ক্যানভাসার গল্পের কাহিনিসংক্ষেপ, ভৈরব ও হীরালালের চরিত্র, গল্পের মূলভাব এবং পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সহজ ভাষায় পড়ো। ICSE Class 9 Bengali-এর জন্য সাজানো নোটস।
প্রশ্ন ৪
“একদিন তোমাদেরও হতে পারে, পদস্খলন।”
ক) কার লেখা, কোন কবিতা থেকে অংশটি গৃহীত হয়েছে? ‘তোমাদের’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
খ) ‘পদস্খলন’ কথাটির অর্থ কী? কার পদস্খলনের কথা কবি উল্লেখ করেছেন?
গ) যার পদস্খলন হয়েছিল, তাঁর সম্পর্কে লেখো।
ঘ) আলোচ্য কথাটির মর্মার্থ লেখো।
উত্তর: ক) অংশটি কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘সিঁড়ি’ কবিতা থেকে গৃহীত। ‘তোমাদের’ বলতে সমাজের উচ্চস্থানে থাকা ক্ষমতাবান ও শাসকগোষ্ঠীর মানুষদের বোঝানো হয়েছে।
খ) ‘পদস্খলন’ বলতে আক্ষরিক অর্থে পা পিছলে পড়ে যাওয়া বোঝায়। কবিতার প্রসঙ্গে এটি উচ্চস্থান, ক্ষমতা বা আধিপত্য থেকে পতনের প্রতীক। কবি এর সঙ্গে মোগল সম্রাট হুমায়ুনের পতনের উদাহরণ যুক্ত করেছেন।
গ) হুমায়ুন ছিলেন দ্বিতীয় মোগল সম্রাট। তিনি বাবরের পুত্র এবং আকবরের পিতা। বাবরের মৃত্যুর পর তিনি দিল্লির সিংহাসনে বসেন। পরে শের খাঁর সঙ্গে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে তিনি রাজ্য হারান এবং একসময় পারস্যে আশ্রয় নেন। পরবর্তীকালে পারস্যের সাহায্যে তিনি পুনরায় নিজের রাজ্য ফিরে পান।
ঘ) আলোচ্য কথাটির মর্মার্থ হল—ক্ষমতা ও উচ্চস্থান কোনো মানুষের জন্য চিরস্থায়ী নয়। আজ যে ব্যক্তি বা শ্রেণি সমাজের শীর্ষে অবস্থান করছে, সময়ের পরিবর্তনে তারও পতন ঘটতে পারে।
হুমায়ুনের উদাহরণের মাধ্যমে কবি উচ্চশ্রেণীর মানুষকে এক ধরনের সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তারা যদি নিজেদের ক্ষমতার জোরে নিম্নশ্রেণীর মানুষকে অবহেলা ও অত্যাচার করতে থাকে, তাহলে সেই আধিপত্যও একদিন ভেঙে পড়তে পারে।
প্রশ্ন ৫
“আর চেপে রাখতে চাও পৃথিবীর কাছে / তোমাদের গর্বোদ্ধত, অত্যাচারী পদধ্বনি।”
ক) আলোচ্য অংশে কাদের কথা বলা হয়েছে?
খ) ‘গর্বোদ্ধত’ শব্দটির অর্থ কী?
গ) ‘অত্যাচারী পদধ্বনি’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ঘ) তারা পৃথিবীর কাছে নিজেদের গর্বোদ্ধত ও অত্যাচারী পদধ্বনি কেন চেপে রাখতে চায়?
উত্তর: ক) আলোচ্য অংশে সমাজের উপরতলায় থাকা শোষক, ক্ষমতাবান ও অত্যাচারী শ্রেণির মানুষদের কথা বলা হয়েছে। তারা নিজেদের স্বার্থ ও সুবিধা বজায় রাখার জন্য নিম্নশ্রেণীর মানুষের শ্রমকে ব্যবহার করে।
খ) ‘গর্বোদ্ধত’ বলতে বোঝায় অহংকারের কারণে উদ্ধত বা ঔদ্ধত্যপূর্ণ।
গ) ‘অত্যাচারী পদধ্বনি’ একটি প্রতীকী অভিব্যক্তি। বাস্তবে সিঁড়ির ওপর পা ফেলে উপরে ওঠার সময় পদধ্বনি শোনা যায়। কবি সেই পদধ্বনিকে সমাজের উচ্চশ্রেণীর মানুষের অত্যাচার ও আধিপত্যের সঙ্গে যুক্ত করেছেন।
অর্থাৎ এখানে ‘পদধ্বনি’ শুধু পায়ের শব্দ নয়; এর মাধ্যমে নিম্নশ্রেণীর মানুষের ওপর চালানো শোষণ, নিপীড়ন ও আধিপত্যের চিহ্ন বোঝানো হয়েছে।
ঘ) উচ্চশ্রেণীর মানুষ তাদের অত্যাচার পৃথিবীর কাছে চেপে রাখতে চায়, কারণ নিজেদের ক্ষমতা ও সামাজিক সুবিধার পিছনে যে শোষণ ও অবিচার রয়েছে, তা প্রকাশ্যে এলে তাদের আধিপত্য প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।
নিম্নশ্রেণীর মানুষ যদি নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে সচেতন হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ করে, তাহলে শোষক শ্রেণির প্রতিষ্ঠিত সুবিধা ও ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যেতে পারে। তাই তারা নিজেদের অন্যায়কে আড়াল করতে চায়। কিন্তু কবিতার বক্তব্য অনুযায়ী সত্যকে চিরকাল চাপা দিয়ে রাখা সম্ভব নয়।
কবিতার স্টাডি মেটেরিয়াল পড়ুন
-
সিঁড়ি কবিতার সারসংক্ষেপ ও ব্যাখ্যা সহজ ভাষায় | সুকান্ত ভট্টাচার্য | Siri Kobita Summary ICSE Class 9
ICSE Class 9 Bengali-এর সিঁড়ি কবিতার সারসংক্ষেপ, মূলভাব, প্রতীকী অর্থ, নামকরণের সার্থকতা ও গুরুত্বপূর্ণ পংক্তির ব্যাখ্যা পড়ুন।
-
রবীন্দ্রনাথের প্রতি SAQ: গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (১ নম্বরের) | ICSE Class 9 Bengali Best Guide
রবীন্দ্রনাথের প্রতি SAQ ও গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর। ICSE Class 9 Bengali পরীক্ষার জন্য ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ Short Question & Answer সহজ ভাষায় পড়ুন।
সিঁড়ি কবিতার ৫টি প্রশ্ন একসঙ্গে মনে রাখার সহজ মানচিত্র
এই পাঁচটি প্রশ্ন আলাদা করে মুখস্থ করার বদলে কবিতার ভাবনাটিকে একটি ধারাবাহিকতায় মনে রাখলে অনেক সহজ হবে।
সিঁড়ি
↓
নিম্নশ্রেণীর শ্রমজীবী মানুষ
↓
তাদের শ্রমে অন্যের উন্নতি
↓
মাড়িয়ে উপরে ওঠা
↓
পিছনে ফিরে না তাকানো
↓
পদাঘাত = অত্যাচার
↓
পদধ্বনি = আধিপত্যের চিহ্ন
↓
প্রতিবাদের সম্ভাবনা
↓
পদস্খলন = ক্ষমতার পতন
এই ধারাটি বুঝে পড়লে সিঁড়ি কবিতার প্রশ্নোত্তর মুখস্থ না করেও অনেক প্রশ্নের উত্তর নিজের ভাষায় তৈরি করা সম্ভব হবে।
সিঁড়ি কবিতার প্রশ্নোত্তর PDF Download
পরীক্ষার আগে যে ৫টি শব্দ অবশ্যই মনে রাখবে
| শব্দ | কবিতায় অর্থ |
| সিঁড়ি | শ্রমজীবী ও নিম্নশ্রেণীর মানুষের প্রতীক |
| মাড়িয়ে যাওয়া | অন্যের শ্রম ব্যবহার করে উন্নতি |
| পদাঘাত | অত্যাচার ও শোষণ |
| পদধ্বনি | আধিপত্য ও নিপীড়নের প্রতীক |
| পদস্খলন | উচ্চস্থান বা ক্ষমতা থেকে পতন |
শেষ মুহূর্তের Revision Tip
পরীক্ষার আগের দিন পুরো উত্তর আবার মুখস্থ করার বদলে প্রতিটি প্রশ্নের ৩–৪টি মূল শব্দ মনে রাখো। যেমন—
“আমরা সিঁড়ি…” → নিম্নশ্রেণী → শ্রম → উচ্চশ্রেণীর উন্নতি → শোষণ
“পদাঘাত…” → অত্যাচার → নিপীড়ন → সত্য প্রকাশ → প্রতিবাদ
“পদস্খলন…” → হুমায়ুন → পতন → ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয় → সতর্কবার্তা
এতে প্রশ্নের ভাষা সামান্য পরিবর্তিত হলেও নিজের ভাষায় উত্তর সাজানো সহজ হবে।

উপসংহার
‘সিঁড়ি’ কবিতার গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলি ভালোভাবে প্রস্তুত করার আসল উপায় হল শুধু উত্তর মুখস্থ করা নয়, কবির ব্যবহৃত প্রতীকগুলির সম্পর্ক বোঝা। সিঁড়ি, মাড়িয়ে যাওয়া, পদাঘাত, পদধ্বনি এবং পদস্খলন—এই শব্দগুলির মধ্যেই কবিতার সামাজিক বক্তব্যের একটি বড় অংশ লুকিয়ে রয়েছে।
তাই পরীক্ষায় প্রশ্ন একটু ঘুরে এলেও যদি প্রতীক → অর্থ → সামাজিক তাৎপর্য এই সম্পর্কটি মনে থাকে, তাহলে নিজের ভাষায় অনেক বেশি স্বাভাবিক উত্তর লেখা সম্ভব হবে।
📚 আরও পড়ুন
সিঁড়ি কবিতার সারসংক্ষেপ: মূলভাব, প্রতীকের ব্যাখ্যা ও নামকরণ
‘সিঁড়ি’ কবিতার সম্পূর্ণ ভাব, প্রতীক এবং নামকরণ বুঝতে এই লেখাটিও পড়তে পারো।

One Comment