Sobhyotar Proti: ‘সভ্যতার প্রতি’ কবিতার Important প্রশ্নোত্তর | ICSE Class 9 Bengali Question Answer (২০২৬)
‘সভ্যতার প্রতি’ কবিতার Important প্রশ্নোত্তর ICSE Class 9 Bengali পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবছর এই কবিতা থেকে ৫ নম্বরের ব্যাখ্যাধর্মী প্রশ্ন, উদ্ধৃতি-ভিত্তিক প্রশ্ন এবং টীকা-সম্পর্কিত প্রশ্ন পরীক্ষায় আসার সম্ভাবনা থাকে। তাই শুধুমাত্র কবিতার সারাংশ পড়লেই হবে না, তার সঙ্গে সভ্যতার প্রতি Question Answer, গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতির ব্যাখ্যা এবং কবির ভাবনা সম্পর্কেও স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।
এই পোস্টে আমরা ‘সভ্যতার প্রতি’ কবিতার ১১টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর সহজ ও পরীক্ষোপযোগী ভাষায় সাজিয়ে দিয়েছি। প্রতিটি উত্তর ICSE Class 9 Bengali Question Answer-এর নম্বর বিভাজন মাথায় রেখে লেখা হয়েছে, যাতে পরীক্ষায় ৫ নম্বরের প্রশ্নের উত্তর আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে লেখা যায়। যদি এখনও ‘সভ্যতার প্রতি’ কবিতার সারাংশ, ব্যাখ্যা ও টীকা না পড়ে থাকো, তাহলে সেটি আগে পড়ে নিয়ে তারপর এই প্রশ্নোত্তরগুলি অনুশীলন করলে বিষয়টি আরও সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব হবে।
‘সভ্যতার প্রতি’ কবিতার Important প্রশ্নোত্তর:
প্রশ্ন ১: “দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর”- (ক) কার লেখা, কোন রচনার অংশ? (খ) কেন এই কথা বলা হয়েছে। (গ) অরণ্য ও নগর-এর একটি করে সমার্থক শব্দ লেখো । (ঘ) পংক্তিটির মর্মার্থ লেখো। (ঙ) ‘দাও’ শব্দটি প্রয়োগের সার্থকতা লেখো।
উত্তর: (ক) আলোচ্য অংশটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘সভ্যতার প্রতি’ কবিতা থেকে উদ্ধৃত।
(খ) কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাগরিক সভ্যতার গ্লানিময় জীবন পছন্দ করেন না। তিনি এই নাগরিক সভ্যতাকে প্রাণহীন বলে মনে করেন। তাই ইট-কাঠ-পাথর দিয়ে গড়া এই নাগরিক সভ্যতার প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে কবি নগর সভ্যতার পরিবর্তে আরণ্যক সভ্যতাকে ফিরে পেতে চেয়েছেন।
(গ) ‘অরণ্য’-এর সমার্থক শব্দ হল বন। ‘নগর’-এর সমার্থক শব্দ হল শহর।
(ঘ) কবি রবীন্দ্রনাথ ছেলেবেলা থেকেই প্রকৃতির খোলামেলা জায়গায় থাকতে পছন্দ করতেন। চার দেয়ালের মধ্যে বন্ধ জীবনযাত্রা তাঁর ভালো লাগত না। সেই কারণে ছেলেবেলায় তাঁর বিদ্যালয়ের জীবন পছন্দ ছিল না এবং তিনি বিদ্যালয়ে যেতে চাইতেন না। বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠা করে সেখানে প্রকৃতির মুক্ত প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন তিনি। তা ছাড়া মানুষ যতই যন্ত্রের ওপর ও বিজ্ঞানের ওপর নির্ভরশীল হয়ে সুখদায়ক জীবনযাপন করতে চেয়েছে, ততই অরণা ধ্বংস করে পরিবেশের বিনাশ ঘটিয়েছে। এই কারণেই কবি নগর সভ্যতার (‘সভ্যতার প্রতি’ কবিতার Important প্রশ্নোত্তর) বিনিময়ে অরণ্য সভ্যতাকে কামনা করেছেন। সেই আরণ্যক সভ্যতায় প্রাচীন কালে মানুষ প্রকৃতির কোলে সহজ-সরল-স্বাচ্ছন্দ্যে লালিতপালিত হত।
(ঙ) ‘দাও’ শব্দটি এখানে বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এই কথাটির মধ্যে অরণ্য সভ্যতার প্রতি কবির স্বতঃস্ফূর্ত আগ্রহই প্রকাশ পেয়েছে-এই চাওয়ার মধ্যে কোনো কৃত্রিমতা নেই।
প্রশ্ন ২: “মগ্ন হয়ে আত্মমাঝে নিত্য আলোচন/মহাতত্ত্বগুলি।”- (ক) কবিতাটির মূলগ্রন্থের নাম কী? (খ) বক্তা কে? (গ) কী নিত্য আলোচিত হত? (ঘ) কীভাবে তা আলোচিত হত? (ঙ) ‘মহাতত্ত্ব’ সম্পর্কে টীকা লেখো।
উত্তর: (ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সভ্যতার প্রতি’ কবিতাটির মূলগ্রন্থের নাম ‘চৈতালি’ কাব্যগ্রন্থ।
(খ) আলোচ্য অংশের বক্তা কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বয়ং।
(গ) জগৎ ও জীবন সম্বন্ধীয় মহাতত্ত্বগুলি নিত্য অর্থাৎ প্রতিদিন আলোচিত হত।
(ঘ) আশ্রমিক ব্যবস্থায় তপোবনে মুনি-ঋষিরা বাস করতেন। সেখানে তাঁরা গাছের ছায়ায় বসে শাস্ত্রচর্চা করতেন এবং শিক্ষার্থীকে নানা বিষয়ে শিক্ষাদান করতেন। এই শাস্ত্রচর্চা ও পঠন-পাঠনের মূল বিষয়ের মধ্যে থাকত অসীম জগৎ ও জীবন সম্পর্কিত বিভিন্ন মহাতত্ত্ব। সেই চর্চার মধ্যে কোনো কৃত্রিমতা ছিল না। তাঁরা আত্মমগ্ন হয়ে এইসব তত্ত্বের গভীরে প্রবেশ করতেন। তার ফলে তাঁদের কাছে নতুন নতুন জ্ঞানের জগৎ ধরা দিত, তাঁদের শরীর-মন আনন্দে ভরে উঠত।
(ঙ) মহাতত্ত্ব: মহাতত্ত্ব হল ধর্মীয় বা শাস্ত্রীয় কথা। জগৎজীবন সম্বন্ধীয় জ্ঞানের কথা এইসব মহাতত্ত্বের বিষয় ছিল। এগুলি গভীর সাধনা ও আলোচনার মধ্য দিয়ে প্রাচীনকালের মুনি-ঋষিরা অর্জন করতেন। এই মহাতত্ত্বগুলি নিয়ে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন শাস্ত্র। সেগুলি আজও মানুষের মনকে উদ্বুদ্ধ করে।
প্রশ্ন ৩: “চাই স্বাধীনতা, চাই পক্ষের বিস্তার/বক্ষে ফিরে পেতে চাই শক্তি আপনার,”- (ক) বক্তা স্বাধীনতা চান কেন? (খ) পক্ষের বিস্তার করে বক্তা কী করবেন? (গ) শেষ পংক্তিটির অর্থ পরিস্ফূট করো। (ঘ) ‘চাই’ কথাটি কবিতায় কতবার ব্যবহৃত হয়েছে? এই ব্যবহারের গুরুত্ব লেখো। ৩+৩+২+২
উত্তর: (ক) বক্তা এখানে বিশ্বকবি স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। আধুনিক সভ্যতায় শিক্ষিত ও দীক্ষিত মানুষ অরণ্য ধ্বংস করে পরিবেশ দূষণ ঘটিয়েছে। বিনিময়ে তারা বিলাসবহুল জীবনযাপন করছে। কিন্তু এই জীবনযাত্রা কবির কাছে পিঞ্জরাবদ্ধ পাখির মতো। পাখি যেমন খাঁচা থেকে মুক্তি পেয়ে ফাঁকা আকাশে উড়তে চায়, তিনিও তেমনি নাগরিক সভ্যতার ক্লেদাক্ত জীবন থেকে মুক্ত প্রকৃতির বুকে ফিরে যেতে চান। তিনি মনে করেন, বর্তমান সভ্যতার জীবনযাত্রা পরাধীনতাতুল্য।
(খ) খাঁচায় বদ্ধ পাখি খাঁচা থেকে মুক্তি পেয়ে দুটি ডানা মেলে উদার আকাশে মনের আনন্দে ঘুরে বেড়ায়, বন্দি জীবনকে সে বিদায় জানিয়ে মুক্ত আকাশে অপার আনন্দ লাভ করে। কবির মতে, মনের ডানা মেলে নিজেকে বিস্তৃত করে দেওয়ার জন্য চাই মনের বন্ধনমুক্তি, চাই স্বাধীনতা ও আত্মবিশ্বাস। তবেই মনের বিস্তৃতি বৃদ্ধি পাবে, বৃহত্তর জগতের সঙ্গে মনের যোগসূত্র স্থাপিত হবে। তাই কবিও ওই খাঁচায় বদ্ধ পাখির মতো বর্তমান নাগরিক সভ্যতার খাঁচা থেকে মুক্তিলাভকরে তপোবনে আশ্রমিক ব্যবস্থায় ফিরে গিয়ে এই পরম আনন্দ লাভ করতে চান।
(গ) কবি নাগরিক সভ্যতা থেকে মুক্তি পেয়ে পূর্ণ আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে চান। কবির বিশ্বাস, প্রকৃতির সান্নিধ্য তাঁর মনের মধ্যে বিপুল উৎসাহ ও উন্মাদনা জাগিয়ে তুলবে। এভাবেই বিশ্বজগতের সঙ্গে কবির সংযোগ তৈরি হবে, তাঁর বুক আনন্দ ও উৎসাহে ভরে উঠবে।
(ঘ) ‘চাই’ কথাটি কবিতায় তিন বার ব্যবহৃত হয়েছে। প্রথমে কবি স্বাধীনতা চেয়েছেন, দ্বিতীয় বারে পক্ষের অর্থাৎ মুক্তচিন্তার বিস্তার চেয়েছেন, তৃতীয় বারে বুকের মধ্যে শক্তি চেয়েছেন। এই তিনটি জিনিস একত্রিত হলে অনেক অসাধ্যও সাধিত হতে পারে।
Ginni Golpo SAQ: ‘গিন্নি’ গল্পের ২০টি গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর | ICSE Class 9 Bengali
প্রশ্ন ৪: “পরাণে স্পর্শিতে চাই ছিঁড়িয়া বন্ধন/অনন্ত এ জগতের হৃদয়স্পন্দন।”-(ক) বক্তা কে? (খ) বক্তা কেন এই কথা বলেছেন? (গ) বস্তা কীসের বন্ধন ছিঁড়তে চান? (ঘ) এ জগৎ অনন্ত কেন? (ঙ) ‘হৃদয়স্পন্দন’ বলতে বক্তা কী বুঝিয়েছেন?
উত্তর: (ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘সভ্যতার প্রতি’ কবিতা থেকে গৃহীত আলোচ্য অংশের বস্তা হলেন কবি স্বয়ং।
(খ) কবি রবীন্দ্রনাথ বর্তমান আধুনিক সভ্যতার গ্লানিময় জীবন থেকে অব্যাহতি পেতে এই কথা বলেছেন।
(গ) বক্তা অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথের হৃদয়ের বন্ধন ইট-কাঠ-পাথর দিয়ে গড়া প্রাণহীন নাগরিক সভ্যতার সঙ্গে যুক্ত। তিনি এ আধুনিক সভ্যতার জীবনযাত্রা পছন্দ করেন না। সেখান থেকে মুক্তি পেতে চান তিনি। মুক্তি পাওয়ার জন্য এই সভ্যতার তো তাঁর যে হৃদয়ের বন্ধন, সেটা ছিঁড়ে ফেলতে চান তিনি।
(ঘ) ‘অনন্ত’ কথাটির অর্থ যার শেষ নেই বা অসীম। এই জগৎ বা বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সত্যিই অসীম। বহু গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ না গড়ে-ওঠা এই মহাবিশ্বের কূলকিনারা এখনও পায়নি মানুষ। এর কোনো সীমা-পরিসীমা নেই। তাই একে ‘অনন্ত’ বলেছেন কবি।
(ঙ) ‘হৃদয়স্পন্দন’ বলতে বোঝায় হৃদয়ের কম্পন। কবির ধারণা, যে-কোনো জীবের মতোই বিশ্বপ্রকৃতি বা বিশ্বজগতেরও -সয়াস্পন্দন রয়েছে। প্রকৃতির সঙ্গে মনের যোগ তৈরি হলেই কেবল এই স্পন্দন টের পাওয়া যায়। কবির বক্তব্য, এই কৃত্রিম নারিক সভ্যতার মায়া কাটিয়ে প্রকৃতির কোলে ফিরে গিয়ে তিনি বিশ্বপ্রকৃতির এই হৃদয়স্পন্দন উপলব্ধি করতে পারবেন।

প্রশ্ন ৫: “দাও সেই তপোবন পুণ্যচ্ছায়ারাশি”- (ক) আলোচ্য রচনাটি কোন্ জাতীয় রচনা? সেই রচনার বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো। (খ) কবি কেন তপোবনের পুণ্য ছায়ারাশি চেয়েছেন? (গ) ‘তপোবন’ সম্পর্কে টীকা লেখো। (ঘ) ‘পুণ্য’ কথাটির অর্থ লেখো এবং ‘পুণ্য’-র বিপরীত শব্দ লেখো। ৩+৩+২+২
উত্তর: (ক) ‘সভ্যতার প্রতি’ কবিতাটি সনেট জাতীয় রচনা। সনেটের বৈশিষ্ট্যগুলি হল- সনেট সাধারণত চতুর্দশ অক্ষর (অর্থাৎ চোদ্দোটি হরফ বর্ণ) সমন্বিত চোদ্দো পংক্তির কবিতা। অষ্টক ও ষটকের বিভাগ রক্ষা করাই সনাতন রীতি, যদিও রবীন্দ্রনাথ প্রমুখ অনেকে এই রীতি মানেননি। এতে একটিমাত্র ভাবের দ্যোতনা থাকে। এতে ভাবের গভীরতা ও ভাষার ঋজুতা থাকে। বিশেষ নির্মাণরীতি অনুসরণ করতে হয় বলে গীতিকবিতার অন্যান্য শাখার মতো এটি স্বতঃস্ফূর্ত নয়।
(খ) তপোবনে মুনি-ঋষিরা আশ্রম নির্মাণ করে সেখানে ধর্ম ও শাস্ত্রচর্চা করেন। তাঁদের সঙ্গে শিক্ষার্থীরা গুরুগৃহে থেকে বিদ্যাশিক্ষা লাভ করে। এই জীবন শান্ত, সংযত, সরল ও গ্লানিমুক্ত। তা ছাড়া তপোবনের গাছপালার ছায়া বড়োই মনোরম, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের তুলনা নেই। এই কারণেই কবি তপোবনের পূণ্য ছায়ারাশি চেয়েছেন।
(গ) তপোবন (টীকা): মুনি-ঋষিরা ও তাঁদের পত্নীরা তপোবনে আশ্রম নির্মাণ করে ধর্মচর্চা ও শাস্ত্রপাঠে নিমগ্ন থাকতেন। অনেক শিক্ষার্থীও তপোবনের আশ্রমে থেকে গুরুর কাছে বিদ্যাশিক্ষা লাভ করত।
(ঘ) ‘পুণ্য’ কথাটির অর্থ হল পবিত্র। ‘পুণ্য’ শব্দটির বিপরীত শব্দ হল ‘পাপ’।
প্রশ্ন ৬: “সেই গোচারণ, সেই শান্ত সামগান”- (ক) বক্তা কে? (খ) ‘গোচারণ’ সম্পর্কে টীকা লেখো। (গ) ‘সামগান’ কথাটির তাৎপর্য লেখো। (ঘ) বক্তার কোন দৃষ্টিভঙ্গি এতে প্রকাশিত হয়েছে? ২+৩+৩+২
উত্তর: (ক) বক্তা হলেন স্বয়ং কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
(খ) গোচারণ: ‘গোচারণ’ কথাটির অর্থ হল গোরু চরানো। রাখাল-বালকেরা মাঠে বা গোচারণভূমিতে গোরু চরায় ও মাঝে মাঝে বাঁশি বাজায়। তপোবনে আশ্রমিক ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা গুরুগৃহে গিয়ে শুধু বিদ্যাশিক্ষা লাভই করে না, সেইসঙ্গে তারা গুরুর মাঠের ফসল দেখাশোনা করে ও গরুবাছুর চরায়।
(গ) বৈদিক সাহিত্যে চারটি বেদের মধ্যে দ্বিতীয় বেদ হল ‘সামবেদ’। এই বেদের সঙ্গীতগুলি খুবই শ্রুতিমধুর এবং জ্ঞান লাভের সহায়ক। তপোবনের আশ্রমে থাকাকালীন গুরু তাঁর পুত্রতুল্য ছাত্রদের সামগান পাঠ করিয়ে তাদের মধ্যে জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালিয়ে দিতেন। এভাবে তাদের উদার ও জ্ঞানী এবং মানুষের মতো মানুষ করে তুলতেন।
(ঘ) আলোচ্য পংক্তির দ্বারা তপোবনের আশ্রমিক শিক্ষাব্যবস্থা ও তার পারিপার্শ্বিক মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতি বক্তা রবীন্দ্রনাথের অকুণ্ঠ ভালোবাসা ফুটে উঠেছে। বৃহত্তরভাবে এই পংক্তি তথা সমগ্র কবিতাটির মধ্য দিয়ে প্রাচীন অরণ্য সভ্যতার প্রতি কবির অনুরাগ প্রকাশিত হয়েছে।
প্রশ্ন ৭: “লও যত লৌহ লোষ্ট্র কাঠ ও প্রস্তর হে নবসভ্যতা।”-(ক) ‘লও’ কথাটির তাৎপর্য লেখো। (খ) ‘লৌহ লোস্ট্র, কাষ্ঠ ও প্রস্তর’-এগুলি কীসের প্রতীক? (গ) কবি ‘লৌহ লোষ্ট্র কাঠ ও প্রস্তর’-এর পরিবর্তে কেন অরণ্য ফিরে। পেতে চান? (ঘ) ‘নবসভ্যতা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ৩+২+২+৩
উত্তর: (ক) কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘সভ্যতার প্রতি’ কবিতা থেকে আলোচ্য অংশটি গৃহীত। আধুনিক সভ্যতা যান্ত্রিক সভ্যতা। সেই যন্ত্রসভ্যতা প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতি ক্রমশই সংকুচিত হয়ে পড়েছে। প্রকৃতিপ্রেমিক কবি রবীন্দ্রনাথ স্বাভাবিক ভাবেই তা মেনে নিতে পারেননি। তাই লোহা, কাঠ, পাথর দিয়ে তৈরি যন্ত্রসভ্যতার অবসান ঘটিতে আরণ্যক সভ্যতার সূচনা করতে চেয়েছেন তিনি। ‘লও’ শব্দটি দ্বারা তিনি যেন নগরসভ্যতার অধিবাসীদের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সকল যন্ত্র ছেড়ে গুড়িয়ে সজীবতার নতুন বীজ বপন করতে।
(খ) ‘লৌহ লোষ্ট্র কাষ্ঠ ও প্রস্তর’ প্রাণহীন নগর সভ্যতার যান্ত্রিকতার প্রতীক।
‘সভ্যতার প্রতি’ কবিতার সারাংশ, ব্যাখ্যা, শব্দার্থ ও টীকা
(গ) কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লোহা, কাঠ, পাথরের জঞ্ঝালপূর্ণ নগর সভ্যতার বদলে অরণ্য ফিরে পেতে চান, কারণ, এসব কখনোই অরণ্যের বিকল্প হতে পারে না। এসবের মধ্যে হৃদয়ের স্পর্শ নেই। এখানকার কৃত্রিমতার মধ্যে মুক্তির স্বাদ পাওয়া যায় না। অরণ্যের নির্জনতার মধ্যে কবি বিশ্বহৃদয়ের স্পন্দন শুনতে পান। তাই তাঁর কাছে যান্ত্রিক সভ্যতা অপেক্ষা চরণ্য সভ্যতাই বেশি শ্রেয়।
(ঘ) ‘নবসভ্যতা’ বলতে সর্বগ্রাসী মনোভাবসম্পন্ন নগর সভ্যতাকে বোঝানো হয়েছে। নগরসভ্যতার এই সর্বগ্রাসী মনোভাবের জেরে তপোবনকেন্দ্রিক অরণ্যনির্ভর প্রাচীন সভ্যতার শান্ত সমাহিত রূপটি হারিয়ে গিয়েছে। নবসভ্যতার চার দেওয়ালের ময়ে আবন্ধ কারাগারে স্বাধীনতার স্পর্শ থাকে না। থাকে না মুক্তির আনন্দ, হৃদয়ের স্পন্দন যেন থেমে যায়। এই নবসভ্যতা মানুষের সবকিছুকে গ্রাস করে নেয়। মানুষের সূক্ষ্ম হৃদয়বৃত্তিকে একেবারে নষ্ট করে দেয়, তাকে যন্ত্রে পরিণত পর্যবসিত করে। কিন্তু তপোবনস্নিগ্ধ ছায়াঘন অরণ্যে মুক্তির স্বাদ পাওয়া যায়। তাই কবি নবসভ্যতাকে বিদায় দিয়ে আরণ্যক সভ্যতার প্রতিষ্ঠা করতে চান।

প্রশ্ন ৮: “গ্লানিহীন দিনগুলি, সেই সন্ধ্যাস্নান”- (ক) কোন্ দিনগুলি গ্লানিহীন এবং কেন? (খ) ‘সন্ধ্যাস্নান’ কথাটির তাৎপর্য কী? (গ) আলোচ্য পংক্তিটির সারমর্ম লেখো। (ঘ) এর মধ্যে কবির কোন দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশিত হয়েছে? ২+৩+৩+২
উত্তর: (ক) কোটি কোটি বছর আগে পৃথিবীর পরিবেশ ও প্রকৃতিতে এক সাম্য বিরাজ করত। ‘সভ্যতার প্রতি’ কবিতায় কবি রবীন্দ্রনাথ সেই দিনগুলির কথাই উল্লেখ করেছেন। এই প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠেছিল তপোবন আর ছোটো ছোটো এম। সেই প্রাকৃতিক পরিবেশে মানুষের জীবনধারা ছিল সহজ ও স্বচ্ছন্দ। কবি সেইসব গ্লানিমুক্ত দিনগুলির কথা বলেছেন।
(খ) ‘সন্ধ্যাস্নান’ কথাটির তাৎপর্য হল সূর্যাস্তের সময় স্নান অর্থাৎ প্রাচীন মুনিঋষিদের ছিল সকালে, দুপুরে, সন্ধায়-তিনবার মন করার প্রথা। তার মধ্যে অন্যতম হল সন্ধ্যাবেলার স্নান।
(গ) নগরসভ্যতা নিষ্ঠুর, সর্বগ্রাসী। এই সভ্যতা হৃদয়হীন-যান্ত্রিক। এখানে মানুষ পশুর ন্যায় পিঞ্জরাবদ্ধ হয়ে জীবন কাটায়। এই নব্য সভ্যতা মানুষের সবকিছুকে গ্রাস করে নিয়েছে। তার হৃদয়বৃত্তিকে নষ্ট করে তাকে করে তুলেছে স্বার্থপর। কিন্তু অরণ্য সভ্যতায় আছে প্রাণের স্পর্শ, সকল বন্ধন থেকে মুক্তি। সেখানে তপোবনের স্নিগ্ধ পল্লবঘন ছায়ায় মানুষ পবিত্র জীবন কাটাত। কবি তাই আবেদন করেছেন, মানুষ যেন নগর সভ্যতার কৃত্রিমতা ছেড়ে অরণ্য সভ্যতায় ফিরে যায় প্রকৃতির প্রাণের স্পর্শ পেতে।
(ঘ) জীবনপথে চলার জন্য প্রতিটি মানুষের চাই সুস্থ ও নীরোগ শরীর। আর চাই মনের উদারতা। কিন্তু কৃত্রিম নাগরিক জীবন মানুষকে এক খাঁচায় বন্দি জীবে পরিণত করেছে। কবি তাই উদার প্রকৃতির কোলে স্নিগ্ধ তপোবনের গ্লানিহীন জীবনে ফিরে যেতে চান। আলোচ্য পংক্তিটিতে কবির সেই দৃষ্টিভঙ্গিই প্রকাশিত হয়েছে।
Ginni Golpo Class 9 Summary: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গিন্নি’ গল্পের সহজ সারসংক্ষেপ
প্রশ্ন ৯: “নীবারধান্যের মুষ্টি, বল্কলবসন”- (ক) ‘নীবারধান্যের মুষ্টি’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? (খ) ‘বল্কলবসন’ কোন প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হয়েছে? (গ) আলোচ্য অংশে কবি কোন পরিবেশকে বোঝাতে চেয়েছেন? (ঘ) আলোচ্য পংক্তির মধ্যে কবির মনোভাব লেখো। ২+২+৩+৩
উত্তর: (ক) কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘সভ্যতার প্রতি’ কবিতায় ‘নীবারধান্য’ বলতে তৃণধান্য বা উড়ি ধানকে বোঝানো হয়েছে। তাই ‘নীবারধান্যের মুষ্টি’ বলতে মুঠি ভরা নীবার বা উড়ি ধানকে বোঝানো হয়েছে।
(খ) ‘বল্কলবসন’ বলতে গাছের ছাল দিয়ে তৈরি বসন বা পোশাককে বোঝানো হয়েছে। প্রাচীনকালে মুনি-ঋষিরা তপোবনে বাস করতেন, সহজ-সরল অনাড়ম্বর জীবনই ছিল তাঁদের কাম্য। বনের সামান্য ফলমূল আহার করে, গাছের বল্কল পরিধান করে তাঁরা জীবন কাটাতেন। এই বিষয়টি বোঝাতেই ‘বল্কলবসন’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
(গ) আলোচ্য অংশে কবি প্রাচীন তপোবনের পরিবেশটিকে তুলে ধরতে চেয়েছেন। তপোবনের সেই অরণ্য-পরিবেশে গাছের স্নিগ্ধ ছায়ায় মুনি-ঋষিরা তপস্যায় জীবন অতিবাহিত করতেন। জীবন কাটাতেন এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের স্বরূপ জানার সাধনায়। নির্জন তপোবনের পার্থিব সম্পদের প্রাচুর্য ছিল না। সহজ-সরল, অনাড়ম্বর পরিবেশই তাঁদের সব কিছুর জোগান দিত। কবি তপোবনের সেই অনাড়ম্বর পরিবেশকেই কামনা করেছেন।
(ঘ) প্রকৃতিপ্রেমিক কবি রবীন্দ্রনাথ যন্ত্রসভ্যতার কারাগারে বন্ধ হয়ে পড়েছিলেন। তাই সেই নগরসভ্যতা থেকে মুক্তির কামনায় তিনি আরণ্যক জীবনে ফিরে যাওয়ার বাসনা প্রকাশ করেছেন। আলোচ্য পংক্তিটিতে তাঁর সেই মনোভাবই স্পষ্ট হয়েছে। তপোবনকেন্দ্রিক পরিবেশ মানুষের সত্য উপলব্ধি ও আধ্যাত্মিক জীবনের বিকাশে সহায়ক। অরণ্যের এই অনাড়ম্বর জীবনযাত্রায় নেই শহর জীবনের আবিলতা নেই শহর জীবনের যান্ত্রিকতা। তার বদলে আছে শান্ত, উদ্বেগহীন জীবনের পরম আশ্বাস। তাই কবি মুনিঋষিদের তপোবনকেন্দ্রিক জীবন কামনা করেছেন।
প্রশ্ন ১০: “পাষাণপিঞ্জরে তব/নাহি চাহি নিরাপদে রাজভোগ নব”- (ক) ‘তব’ কথাটি কার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে? (খ) ‘পাষাণপিঞ্জর’ কী? (গ) বক্তা কেন নিরাপদে থাকতে চান না? (ঘ) পরিবর্তে কবি কী চান? ২+২+৩+৩
উত্তর: (ক) কবি রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘সভ্যতার প্রতি’ কবিতায় ‘তব’ কথাটি ‘নবসভ্যতা’র উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেছেন।
(খ) নবসভ্যতা বা নগর সভ্যতার ইট-কাঠ-পাথরের তৈরি বাড়িঘরকে ‘পাষাণপিঞ্জর’ বলা হয়েছে।
(গ) বক্তা নবসভ্যতার ইট-কাঠ-পাথরের পাষাণপিঞ্জরে আবদ্ধ থেকে ভোগবিলাসের জীবন যাপন করতে চান না। কারণ, এই জীবনে স্বাধীনতা নেই, প্রতিটি মুহূর্তে ঘেরাটোপের অদৃশ্য নিয়মে বন্দি হয়ে কাটাতে হয়। সেই জীবনে ভোগের সামগ্রী যতই থাক না কেন, সেখানে মুক্তচিন্তার বিস্তার সম্ভব নয়। সেখানে জীবিত থাকা কবির কাছে মৃত্যুর শামিল। তাই কবি পিঞ্জরে আবদ্ধ সুখী জীবনের আশ্রয় চান না।
(ঘ) রবীন্দ্রনাথ প্রকৃতির কবি, প্রকৃতির মধ্যেই তিনি নিজের অস্তিত্ব খুঁজে পান। প্রকৃতিই তাঁকে কাব্যসাধনার প্রেরণা জোগায়। আর সেই প্রকৃতি থেকে দূরে গিয়ে ইট-কাঠ-পাথরের পাষাণপিঞ্জরে বন্ধ হয়ে কবি যেন হাঁপিয়ে উঠেছেন। তাই তিনি মুক্তি চান, চান প্রকৃতির কোলে ফিরে যেতে। যে প্রকৃতি তাঁকে সযত্নে লালিত করবে আপন স্নেহচ্ছায়ায়। সেখানে তিনি খুঁজে পাবেন মুক্তভাবনার রসদ। বন্ধ, পরাধীন জীবনের পরিবর্তে তাই তাঁর কাম্য অরণ্য সভ্যতার স্বাধীন জীবন।

Ginni Golpo Character Analysis: শিবনাথ পণ্ডিত ও আশুর চরিত্র বিশ্লেষণ | ICSE Class 9 Bengali
প্রশ্ন ১১: “হে নিষ্ঠুর সর্বগ্রাসী,/দাও সেই তপোবন পুণ্যচ্ছায়ারাশি”- (ক) ‘নিষ্ঠুর সর্বগ্রাসী’ কাকে বলা হয়েছে? (খ) ‘তপোবন’ সম্পর্কে কী জানো? (গ) কবি কেন ‘নিষ্ঠুর সর্বগ্রাসী’ কথাটি ব্যবহার করেছেন, তা আলোচনা করো। (ঘ) কবি কেন তপোবনের পরিবেশ ফিরে পেতে চাইছেন? ২+২+৩+৩ [ICSE: ২০১৯]
উত্তর: (ক) বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘সভ্যতার প্রতি’ কবিতা থেকে গৃহীত উদ্ধৃত অংশে কবি নগরসভ্যতাকে ‘নিষ্ঠুর সর্বগ্রাসী’ বলেছেন।
(খ) ‘তপোবন’ কথাটির অর্থ হল তপের নিমিত্ত বন। বৈদিক যুগে মুনি-ঋষিরা তাঁদের সময় অতিবাহিত করতেন জপতপ নিয়ে। তাঁরা বৃক্ষচ্ছায়ায় শিষ্যদের শিক্ষাদান করতেন। তাঁদের কাজে যাতে কোনো বাধা না-আসে সেইজন্যেই তাঁরা সপরিবারে বনে বাস করতেন। এই ধরনের বনকেই তপোবন বলা হয়ে থাকে।
(গ) নগরসভ্যতার সূচনা হয়েছিল অরণ্যকে উচ্ছেদ করে। ফলে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে তপোবনের জীবন। সেখানে ছিল শান্ত-স্নিগ্ধ জীবন। তপোবনের সেই সামগান, গোচারণ, সেই গ্লানিহীন দিন, সেই মহানতত্ত্বের মধ্যে নিমগ্ন হয়ে সান্ধ্য আলোচনা- এসবই যেন নগরসভ্যতার করাল গ্রাসে আজ লুপ্ত। এর কারণ নগরসভ্যতার প্রধান আকর্ষণই হল ভোগবিলাসসময় জীবন। এর জন্যই আজ মানুষ হারাতে বসেছে সুখ, শান্তি, স্বস্তি, মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও মনুষ্যত্ব। তাই কবি এই সভ্যতাকে নিষ্ঠুর সর্বগ্রাসী’ বলেছেন।
(ঘ) তপোবনের পরিবেশ ছিল পবিত্র। সেখানে নিয়মিত যাগযজ্ঞ, পঠনপাঠন ও সাধনা হত। ফলে তপোবনের পরিবেশ হয়ে উঠত স্নিগ্ধ ও পবিত্র। চারিদিকে গাছপালা থাকার ফলে পরিবেশ কখনও কলুষিত হত না। এ ছাড়া কোনোরকম বারাণ কাজ করার ইচ্ছাও মানুষের মধ্যে জাগ্রত হত না। তখন সভ্যতার মেকি জীবন গ্রাস করতে পারেনি মনের শান্তিকে। যদিও তাদের ছিল না পর্যাপ্ত উপকরণ, তবুও তারা অল্প উপকরণেই জীবনকে ভরিয়ে তুলত। তাদের উন্নত ভাবনায় জীবন ও জগৎ সমৃদ্ধ হত। এসব কারণেই কবি তপোবনের পরিবেশ ফিরে পেতে চেয়েছেন।
‘সভ্যতার প্রতি’ প্রশ্ন উত্তর ICSE Class 9 Bengali
‘সভ্যতার প্রতি’ প্রশ্ন উত্তর ভালোভাবে অনুশীলন করলে ICSE Class 9 Bengali পরীক্ষায় ৫ নম্বরের ব্যাখ্যাধর্মী প্রশ্নের উত্তর লেখা অনেক সহজ হয়ে যাবে। শুধু উত্তর মুখস্থ না করে প্রতিটি উদ্ধৃতির প্রেক্ষাপট, কবির বক্তব্য এবং টীকাগুলিও ভালোভাবে বুঝে পড়ার চেষ্টা করো। তবেই পরীক্ষায় আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ উত্তর লিখতে পারবে।
এছাড়া ‘সভ্যতার প্রতি’ কবিতার সারাংশ, ব্যাখ্যা, শব্দার্থ ও টীকা, MCQ, SAQ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্টাডি ম্যাটেরিয়ালও আমাদের ওয়েবসাইটে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে। তাই নিয়মিত Bengali Notes ভিজিট করো এবং এই পোস্টটি তোমার সহপাঠীদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলো না। শুভেচ্ছা রইল তোমার ICSE পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য!
আমাদের সব নোটসের দ্রুত আপডেট, গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর, নোটসের পিডিএফ পেতে যুক্ত হোন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ও টেলিগ্রাম চ্যানেলে। সঙ্গে থাকবে ফাইনাল পরীক্ষার আগে অনলাইন মকটেস্টের সুবিধাও।

One Comment